প্রিয়নেতাকে একনজর দেখার অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী

530

প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর কিশোরগঞ্জের সব মসজিদে দোয়া করা হয়। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে গেছে শোকবার্তায়। সবার কথা একটাই, বড় ভালো মানুষ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। কোনো দলের না, তিনি ছিলেন সবার।

সৈয়দ আশরাফের স্বজন শাহ আবদুল বাছেত প্রথম আলোকে বলেন, থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে সৈয়দ আশরাফের মরদেহের পাশে রয়েছেন ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম, ছোট বোন জাকিয়া নূর, রাফিয়া নূর ও একমাত্র মেয়ে রিমা ইসলাম। সম্ভবত শনিবার সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। রাতে রাখা হতে পারে বারডেম হাসপাতালে। পরে রোববার সকাল ১০টায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। জাতীয় ঈদগাহ মাঠে দলের পক্ষ থেকে হতে পারে দ্বিতীয় জানাজা। এরপর মরদেহ কিশোরগঞ্জে আনা হতে পারে।

এদিকে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) খবরে বলা হয়েছে, বর্তমানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ আগামীকাল দেশে আনা হবে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সন্ধ্যা ছয়টায় তাঁর মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আনোয়ারুল কবির বাসসকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল সন্ধ্যা ছয়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছাবে। তবে দাফনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

শাহ আবদুল বাছেত আরও বলেন, সৈয়দ আশরাফের মরদেহ দেশে আনা ও অন্য সব বিষয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। আগামী রোববার জোহরের নামাজের পর কিশোরগঞ্জ শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে তাঁর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর তাঁর মরদেহ জন্মস্থান ময়মনসিংহে নেওয়া হতে পারে এবং সেখানে শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে মরদেহ সৈয়দ আশরাফের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরের যশোদল ইউনিয়নের বীরদামপাড়া গ্রামে, নাকি ঢাকার বনানী কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে টানা পাঁচবার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। গত জুলাই থেকে তিনি থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর কিশোরগঞ্জের সব মসজিদে দোয়া করা হয়। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে গেছে শোকবার্তায়। সবার কথা একটাই, বড় ভালো মানুষ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। কোনো দলের না, তিনি ছিলেন সবার।

সৈয়দ আশরাফের স্বজন শাহ আবদুল বাছেত প্রথম আলোকে বলেন, থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে সৈয়দ আশরাফের মরদেহের পাশে রয়েছেন ছোট ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ শাফায়েতুল ইসলাম, ছোট বোন জাকিয়া নূর, রাফিয়া নূর ও একমাত্র মেয়ে রিমা ইসলাম। সম্ভবত শনিবার সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। রাতে রাখা হতে পারে বারডেম হাসপাতালে। পরে রোববার সকাল ১০টায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। জাতীয় ঈদগাহ মাঠে দলের পক্ষ থেকে হতে পারে দ্বিতীয় জানাজা। এরপর মরদেহ কিশোরগঞ্জে আনা হতে পারে।

এদিকে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) খবরে বলা হয়েছে, বর্তমানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ আগামীকাল দেশে আনা হবে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সন্ধ্যা ছয়টায় তাঁর মরদেহ দেশে পৌঁছাবে। আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আনোয়ারুল কবির বাসসকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল সন্ধ্যা ছয়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছাবে। তবে দাফনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

শাহ আবদুল বাছেত আরও বলেন, সৈয়দ আশরাফের মরদেহ দেশে আনা ও অন্য সব বিষয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। আগামী রোববার জোহরের নামাজের পর কিশোরগঞ্জ শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে তাঁর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর তাঁর মরদেহ জন্মস্থান ময়মনসিংহে নেওয়া হতে পারে এবং সেখানে শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে মরদেহ সৈয়দ আশরাফের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরের যশোদল ইউনিয়নের বীরদামপাড়া গ্রামে, নাকি ঢাকার বনানী কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে টানা পাঁচবার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। গত জুলাই থেকে তিনি থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সৈয়দ আশরাফ মারা যান।

কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কামরুল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ তথা বাংলাদেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তাঁর মতো সৎ ও নির্লোভ আরেকজন রাজনীতিবিদের জন্ম হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।

হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সৈয়দ আশরাফ কোনো দলের ছিলেন না, তিনি ছিলেন সবার। তাঁর জন্যই কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে সহমর্মিতা ছিল। ছিল না সংঘাত-দ্বন্দ্ব। এ জন্য দলমত-নির্বিশেষে সবাই ব্যক্তি সৈয়দ আশরাফকে পছন্দ করতেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কামরুল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ তথা বাংলাদেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তাঁর মতো সৎ ও নির্লোভ আরেকজন রাজনীতিবিদের জন্ম হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।

হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সৈয়দ আশরাফ কোনো দলের ছিলেন না, তিনি ছিলেন সবার। তাঁর জন্যই কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে সহমর্মিতা ছিল। ছিল না সংঘাত-দ্বন্দ্ব। এ জন্য দলমত-নির্বিশেষে সবাই ব্যক্তি সৈয়দ আশরাফকে পছন্দ করতেন।