প্রশাসন নিরব, সেনা সদস্যসের জমি দখল, দেখার কেউ নেই

465

গাজী মাসুম, বিশেষ প্রতিনিধ‌ি
বটিয়াঘাটা উপজেলা, কৃষ্ণনগরের (মোহাম্মদনগর) বাবলু সড়কের আলী হোসেনের বোন জামাই সারজেন মোঃ আবুল হোসেন প্রাপ্ত নম্বর ৪০১৬৬৬১ সেনা সদরে কর্মরত আছেন। কর্মরত থাকা অবস্থায় সরকার বাহাদুর তার মিশনে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়। মিশন শেষ করে দেশে আসে খুলনা শহরের নিকটবর্তী ৮৪ নং কৃষ্ণনগর মৌজার, ১ নম্বর জলমা ইউনিয়নের মোসাঃ পিয়ারুন নেছা বেগম, পিতা- মৃতঃ মোহাম্মদ আলী, গ্রাম+পোষ্ট ঃ দেয়ানা মধ্যপাড়া, ডাকঘর- দৌলতপুর, উপজেলা- দৌলতপুর, জেলা- খুলনা এর নিকট হইতে ৪.১২৫ শতাংশ নাম জারিও সরকারের কর-খাজনা পরিশোধ দেখিয়া ক্রয় করে। উক্ত জমি ক্রয় করিয়া ৪ পাশে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে, বাউন্ডারির ভিতরে দুই রুমের টিন সেট ঘর নির্মাণ করিয়া ২০১০ সালের জুন মাস হইতে ২০১৪ সালের ২৫ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোগদখল করিয়া আসিতেছে। ২০১৪ সালের ২৬ শে ডিসেম্বর গভীর রাতে বাড়িটি দখল করে নেয় ভূমিধস্যরা। এলাকা বাসীসূত্রে জানা যায় মোসাঃ পেয়ারুন নেছার আর এসে ৩৮৪ নং খতিয়ানে প্রাপ্ত হইয়া ০.১১৮৩ একর জমি গত ইংরেজী ৩০/০৩/২০১০ তারিখে ১৭৬৭ নং কবলায় সারজেন মোঃ আবুল হোসেন ও মোসাঃ হামিদা আক্তার ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল আছেন বলে এলাকায় জানা যায়। এলাকার চিহিৃত ভুমিধস্যরা ইসলামী ব্যাংক কর্মকতা মোঃ মাহাবুবুর রহমান এর নেত্রীতে এই এলাকায় চলছে জমি দখল ও বাড়ি দখলের হিলিক। মাহাবুব তার সহপাঠীদের বলে তোমরা কাজ চালিয়ে যাও টাকা যা লাগে এলাকার প্রশাসন ও নেতা-কর্মী ঠেকাতে যা লাগে আমি আছি। এ ব্যাপারে এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে জানতে চাইলে তার বলে আমাদের মুখে যা বলার আমরা বলব কারণ এই জমিটি উদ্ধার করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে ভূক্তভোগী পরিবারের কাছে জানা যায়। এলাকাবাসীর দাবি মাহাবুবুর রহমানের বাহিনীর হাত থেকে জমি উদ্ধার সহ তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।