খুলনার ময়ূর নদীর অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

635

খুলনার গল্লামারী ব্রীজ এলাকায় ময়ূর নদীর দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কার্যক্রম শুরু করেছে কেসিসি ও জেলা প্রশাসন। অভিযানে নদীর দুই পাড়ের অবৈধ কাঁচা, সেমিপাকা, পাকা স্থাপনা ক্রেন ও বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের নির্দেশনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মোঃ জাকির হোসেন। উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দেবাশিষ চৌধুরী, সরকারী কমিশনার (ভূমি) দেলোয়ার হোসেন, কেসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীন জেলা পুলিশ ও কেসিসির টিম সহযোগিতা করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাকির হোসেন সময়ের খবরকে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় গল্লামারী এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় কংক্রিটের স্থাপনাসহ লিনিয়ার পার্কের আংশিক অংশ উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন অবৈধ দখলদারকে নিজ উদ্যোগে অপসারণ হওয়ার জন্য ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় রকিবুল জাহিদ মুকুলের কংক্রিটের স্থাপনা, দু’টি অস্থায়ী মাংসের দোকান ও লিনিয়ার পার্কের সিঁড়িসহ কয়েকটি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন ময়ূর নদীসহ ২২ খালের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই ময়ূর নদীর দুইপাশে দখল কার্যক্রম ছিল। যার ফলে নদীর দুই পাশেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পাকা ঘরবাড়ি এবং চাষাবাদ প্রক্রিয়াও চালু হয়। নদী তার স্বাভাবিক গতি হারিয়ে ফেলাসহ নদের পানি কালো আকার ধারণ করে। প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদীটি ভরাট হওয়ার উপক্রমও হয়ে পড়ে। নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ২০১৬ সালে ৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে খনন করে কেসিসি। সূত্র : সময়ের খবর