খুলনায় প্রচন্ড দাবদাহে জন-জীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ

210
খুলনা ব্যুরো
 দুপুর হতে না হতেই মহানগরীর তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গড়ায়। প্রকৃতি যেন ছাড়ছে তপ্ত নিঃশ্বাস। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তির ছিটে ফোঁটাও নেই। সূর্য দহনে পুড়ছে গোটা শহর। কাঠফাটা রোদে মানুষের জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।
দুপুরে মহানগরীর পথ-ঘাট খাঁ খাঁ করছে। ওষ্ঠাগত গরমে মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখিরাও হাঁসফাঁস করছে। শহর-বন্দর কিংবা গ্রাম কোথাও স্বস্তি নেই। টানা কয়েকদিনের দাবদাহে জনজীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। অস্বস্তিকর গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবনযাত্রা। গরমের তীব্রতা যেন আর কাটছেই না। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। নেই বাতাস, নেই বৃষ্টি, ঘরের বৈদ্যুতিক পাখার বাতাস যেন লু-হাওয়া। ঘরের বাইরে বেরুলেই সূর্যের প্রখর তাপে ঘেমে একাকার।
তীব্র খরতাপের কারণে হতদরিদ্র দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের আয়-রোজগার ব্যাপকহারে কমে গেছে বাড়ছে কষ্ট-দুর্ভোগ। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শ্রমজীবী মানুষ ও শিশুরা। সূর্য দহনে প্রাণীকূলও শীতল পরশের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠছে। বৃষ্টির জন্য মানুষের মধ্যে যেনো হাহাকার পড়ে গেছে। কিন্তু সেই কাঙ্খিত বৃষ্টি মিলছে না। কয়েকদিন ধরে আকাশে কোথাও কোথাও মেঘের দেখা মিললেও হচ্ছে না তেমন বৃষ্টি। খুলনা শিশু হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আল আমিন রাকিব বলেন, তীব্র গরমে কাবু হচ্ছে শিশুরা। ডায়রিয়া, ভাইরাস জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টসহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় কর্তব্যরতদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। খুলনা আঞ্চলিক আবহাওয়া কার্যালয়ের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ বলেন, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ও তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় গরম বেশি লাগছে।