বাগেরহাট মোরেলগঞ্জ বাজারে ৪০ কেজি ওজনের করাতি হাঙ্গর

314

বাগেরহাট থেকে বাদশা আলম
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ বাজারে ৪০ কেজি ওজনের একটি খটক মাছ (কড ফিস) বিক্রি হয়েছে। প্রতিকেজি মাছ ২ হাজার টাকা কেজি মূল্যে বিক্রি করেছে ব্যবসায়ী শাহ আলম মাতুব্বর। শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে মোরেলগঞ্জ বাজারের আড়ত থেকে খুলনার মৎস্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাছটিকে ক্রয় করে শাহ আলম মাতুব্বর।
মোরেলগঞ্জের মৎস্য ব্যবসায়ী শাহ আলম মাতুব্বর বলেন, খুলনার মৎস্য ব্যবসায়ীরা আড়তে মাছটি নিয়ে আসেন। তাদের কাছ থেকে ২৮ হাজার টাকায় মাছটি ক্রয় করি।পরে কেটে ২ হাজার টাকা কেজি মূল্যে বিক্রি করেছি। মাছটির সাধারণত পাওয়া যায়না এবং ঔষধী গুন থাকায় এলাকার মানুষ বেশি দামে ক্রয় করেন।
তারা খুলনার জেলেদের কাছ থেকে মাছটি ক্রয় করেছিল। খুলনার জেলেরা রুপসা নদী থেকে মাছটি ধরে চড়া দামে বিক্রি করে ব্যবসায়ীদের কাছে বলে জানান শাহ আলম মাতুব্বর।
শুখের সামনে খাঁজকাটা লম্বা করাতের মতো একটা কাটা আছে। হয়ত এ কারণে এ মাছের নাম করাতি হাঙর। স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের ভাষায় খটক মাছ। সচরাচর এ মাছ দেখা না গেলেও মাঝে মাঝে বিশালাকৃতির খটক মাছ ধরা পড়ে। স্থানীয়রা বিশ্বাস করে খটক মাছ খেলে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসার, হৃদ্রোগ ও যক্ষ্মা ভালো হয়। এ বিশ্বাস থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ বেশি দামে মাছটি ক্রয় করে খায়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অমল কান্তি রায় বলেন, করাতি হাঙ্গর বা খটক মাছ যে নামেই বলেন এটি সমুদ্রের মাছ। মাছটি অনেক বড় হয়। সমুদ্রে মাছ ধরা জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। তবে সেটি লোকালয়ে বিক্রি হয় না। স্থানীয় জেলেদের জালে ধরা পড়লে স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়। তবে দূরারোগ্য ব্যধি ভাল হয় বলে কোন আমার জানা নেই। আর এমন কোন গবেষনা লব্ধ ফলাফলও নেই আমাদের কাছে।