খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে

166

জেলা প্রতিনিধি, বরিশাল

বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে শরু হয় বৃহস্পতিবার । বরিশাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন শুরু হল বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি না দিলে আপনাদের শেষ রক্ষা হবে না। এই বরিশাল থেকেই আন্দোলন শুরু হলো। দাবি একটাই। খালেদা জিয়ার মুক্তি। নতুন করে আমরা বরিশাল থেকে যাত্রা শুরু করলাম। সেই যাত্রা হবে গণতন্ত্রের সৈনিকদের মুক্তির যাত্রা।

তিনি বলেন, ছাত্র জনতা, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে না পারলে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিনত হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মাতা এই দেশের মানুষের মুক্তির জন্য যিনি আজীবন লড়াই করেছেন সেই নেত্রীর মুক্তির জন্যে আপনারা আজ এখানে এসেছেন। যখন গণতন্ত্রের জন্য দেশনেত্রীর এখানে আসার কথা তখন তিনি কারাগারে আবদ্ধ আছেন। যিনি দেশের মানুষের জন্য লড়াই করেছেন তাকে আজ ভালভাবে রাখা হয়নি। তিনি চিকিৎসার জন্য নিজস্ব চিকিৎকদের সুযোগ দেয়ার দাবি করলেও সে সুযোগ দেয়া হয়নি।

মির্জা আলমগীর বলেন, আমরা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সাহেবের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছি। একটা রাজনৈতিক দলের সভাপতির মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করেছি। কিন্তু এটা সত্য যে, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সরকারের আমলেই এদেশের গণতন্ত্রকে ধবংস করা হয়েছে। এটা সত্য যে, তার সরকারের আমলেই আমাদের বহু মানুষ, ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছে। জনগনের উত্তাল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তাকে সরানো হয়েছে। আজকে আওয়ামী লীগ তাদের সঙ্গে আপোষ করে, তাদের সঙ্গে জোট করে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে অবস্থান েিন্য়ছে।

এর আগে সমাবেশের অনুমতি দেয় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। এদিকে মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা নেয়া হয়। বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ি থামিয়ে চেক  এবং জনগণকে সমাবেশে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অনেক নেতা অভিযোগ করেছেন।