দেশে আজ স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা বলতে কিছুই নেই : খুলনার সমাবেশে মির্জা ফখরুল

205

বৃস্পতিবার  বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকারের হাতে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধারাও নিরাপদ নয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে আজ স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা বলতে কিছুই নেই। শেয়ার বাজার লুটেরাদের হাতে। গত সাত দিনে শেয়ার বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে। সরকার এখন খালেদা জিয়া আতংকে ভুগছে। তারা জানে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণআন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবে। তাই তাকে মুক্তি দিতে ভয় পাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন নির্বাচনে জনগণের আস্থা নেই। দেশে বারবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন খালেদা জিয়া। আওয়ামী লীগ বারবার গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে। স্বৈরাচারিভাবে দেশ চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ। তারা গণতন্ত্র ধ্বংসের জন্য খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠিয়েছেন।

তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিদেশে গিয়ে আপনার চোখের চিকিৎসার নিয়েছেন এটা ভালো খবর। আমাদের বিশ্বাস এর মাধ্যমে এর সুদৃষ্টি ফিরিয়ে আসবে। যার মাধ্যমে জনগণের চাওয়া-পাওয়া সব কিছুই বুঝতে পারবেন। জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিবেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগরী সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং জেলার সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান পরিচালনায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মসিউর রহমান, সৈয়দ মেহেদী আহামেদ রুমী, কবির মুরাদ, যুগ্ম মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন।

নির্বাহী কমিটির সম্পাদক ও সহ সম্পাদকবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, সাবেক ছাত্র নেতা রকিবুল ইসলাম বকুল, মানবাধিকার সম্পাদক এডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, সহ-কোষাধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসান খান বাবু, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সহ-ধর্ম সম্পাদক অমলিন্দু দাস অপু, সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক নেওয়াজ হালিমা আরলি। সৌজন্যে : মানবজমিন