বাঘারপাড়ায় এক যুবতী অল্পবয়সী ছেলেদের বিয়ের ফাঁদে ফেলে  হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা

146

ক্রাইম রিপোর্টার, যশোর।

যশোরের বাঘারপাড়ায় এক যুবতী অল্পবয়সী ছেলেদের বিয়ের ফাঁদে ফেলে  হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

বাঘারপাড়া উপজেলা ভিটাবল্লা-তেঘরী গ্রামে কয়েক বছর যাবৎ কাবিন ও যৌতুকের ব্যবসাটি চাঙ্গা করে তুলেছে। দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ এই ব্যবসাটি করে আসছে রুপাখাতুন (২১), এবং তার পারিবারিক তাড়নায় এই ব্যাবসাটি টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়। প্রাথমিকে এই মেয়েটি মোবাইলের মাধ্যমে পরকিয়া প্রেম করে। এরপর আস্তে আস্তে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং ছেলেদেরকে সরকারী/প্রাইভেট ও বিভিন্ন কোম্পানীতে চাকুরী এবং ব্যাবসা বাণিজ্যের প্রলোভন দেখায় মেয়েটির ভাই আলম (৪০)।

শুধু তাই না, মেয়েকে বিয়ে না করলে চাকুরী ও ব্যাবসা বাণিজ্যের সম্ভাবনা নেই বলে জানায় তার পরিবার এবং ছেলের পরিবারকে অবহিত না করেই গোপনে বিবাহের প্রস্তাব দেয় সেই সাথে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করার পলিসি বের করে রুপার ভাই আলম। কিন্তুু তাতেই খান্ত হয় নাই, দূরে কাজির কাছে ডেকে নিয়ে অতিরিক্ত কাবিন ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়। এরপর চাকুরী, ব্যাবসা তো দূরের কথা রুপাখাতুন (২১) শশুর বাড়ীতে গিয়ে বিক্রিত মনোভাব দেখিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসে ছেলের বাড়ী থেকে কোন প্রকার সমাধানের প্রস্তাব নিয়ে এলে জাহাঙ্গীর আলম বলে, আমার বোন তোমাদের সাথে দিব না। অতএব, কাবিন ও যৌতুকের টাকা না দিলে মামলা এবং বিভিন্ন ভয়ভিতি প্রদর্শন করে বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্র জানায়, মেয়েটির বড় ভাই  আলম (৪০) সমাজে অল্প বয়সে ছেলে এবং মেয়েদের বাল্য বিবাহের ভিকটিমস্ হিসাবে কাজ করে থাকে সম্প্রতি কিছুদিন আগে বাল্য বিবাহ দিতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে নড়াইল থানাতে।

প্রতাক্ষ্যদর্শী মতে, সমাজের এ ধরনের অশ্লিল কর্মকান্ড এবং বিভ্রান্তি কর পরিবেশকে আজও প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে এই নির্লজ্জ মেয়ের পরিবারটি। এই ব্যাবসাটি তার পরিবারের জন্য আয়ের মেইন উৎস হয়ে দাড়িয়েছে। আজ পরিবারটি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তার নিকট অনুরোধ করা হলো।