ফুলতলা রি ইউনিয়ন স্কুলে চাকরির পরীক্ষা দিতে গিয়ে প্রার্থীরা হয়রানির শিকার, পরীক্ষা না দিয়েই ফিরতে হলো

505

আল আমিন খাঁন

খুলনার ফুলতলা রি ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজে গত ২৮ আগষ্ট কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে চাকরীর পরীক্ষা দিতে এসে প্রার্থীরা ফিরে গেল। হঠাৎ কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে ভুল আছে। ফলে প্রার্থীদের দীর্ঘ দিনের প্রস্তুতি থাকার পরেও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ কারর হয়নি। অনেকটা হয়রানির শিকার হতে হয়ছে  এমন মন্তব্য পরীক্ষার্থীদের।

চাকরীর প্রার্থী তাজিয়া সুলতানা জানান, ২/৩ মাস আগে চাকরির বিজ্ঞপ্তি পর পর দুই বার প্রকাশ করা হয়। এছাড়া এতদিন হয়ে গেলো কর্তৃপক্ষের কারর নজরে আসেনি যে তাদের বিজ্ঞপ্তি নিয়োগ পরিপত্র অনুযায়ি হয়নি। তাজিয়া আরো বলেন, আজকে যখন আমরা সকলে চাকরীর পরীক্ষা দিতে বিভিন্ন স্থান থেকে কষ্ট করে এসেছি, ঠিক তখনই জানানো হলে পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। এটা চরম হয়রানীর সামিল।

আরো এক চাকরির প্রার্থী খাদিজা জানান, চাকরির জন্য প্রস্তুতি ছিল ভাল, তবে পরীক্ষা দিতে গিয়ে কেন জানতে হবে পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। কেন আমাদের আগের থেকে ফোনে অথবা চিঠি দিয়ে জানানো হলো না। কলেজ কর্তৃপক্ষের ভুলের রোষনালে আমরা কেন পড়ব। খাদিজা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চাকরির বয়সে শেষের পর্যায়, খুব ভাল প্রস্তুতি ছিল। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মন ভেঙ্গে গেছে।

তথ্যমতে, গত ৩ জুন খুলনার একটি আঞ্চলিক পত্রিকায় ফুলতলা রি ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর সহ বিভিন্ন পদে লোকবল নিয়োগ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়। তবে দীর্ঘ ৩ মাস পরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন হঠাৎ কলেজ কর্তৃপক্ষ কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে। কোন পূর্ব নোটিশ ছাড়াই ঠিক পরীক্ষার দিন নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করার কারণে আগত প্রার্থীরা ক্ষোভে ফেঁপে ফুসে উঠেন। প্রার্থীদের কাছ থেকে একটাই অভিযোগ  পরীক্ষা দিতে এসে কেন জানতে হবে পরীক্ষা স্থগিতের কথা। আগের থেকে পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি বা ফোনে প্রার্থীদের পরীক্ষা স্থগিতের বিষয় জানানো হয়নি কেন?

এ বিষয় কলেজ অধ্যক্ষ অজয় কুমার চক্রবর্তীর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ টি আমাদের ভূল হয়েছে।

তবে খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার  খোন্দকার রুহুল আমীন বলেন, যদি এটা করা হয় তাহলে চাকরির প্রার্থীদের হয়রানী করা হয়েছে। বিয়ষটি নিয়ে আমি কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছি।