ফুলতলায় ধর্ষনের চেষ্টাকারীকে বাঁচানোর জন্য দৌড়ঝাঁপ, ওসির শক্ত ভূমিকায় পার পেল না ছোটন

1254

আবু হামজা বাঁধন, ডেক্স রিপোর্ট।

খুলনার ফুলতলা থানায় এক শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টা করে এনায়েত হোসেন ছোটন। বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন গুঞ্জন চলে অলিতে গলিতে। তবে এনায়েত হোসেন ছোটন স্থানীয়ভাবে  প্রভাবশালী ও ধন্যাঢ্য হওয়ার কারণে একটি মহল বিষয়টিকে ধামা চাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে অবেশেষে বিফলে যায়। ফুলতলা থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন তালুকদার বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে শুনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। একাধিক প্রভাবশালী মহলের ফোন আসে ছোটনকে থানা থেকে বের করার জন্য। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মীসহ ওসি ফুলতলা থানার কঠোর ভূমিকা থাকার কারণে ছোটনের ঠাঁই হলো ফুলতলা থানার শ্রীঘরে।

জানা যায়, ফুলতলায় তৃতীয় শ্রেণির স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণ চেষ্টাকারী দুই সন্তানের জনক এনায়েত হোসেন ছোটন (৪৮) কে আটক করে। সে দামোদর রেলষ্টেশন এলাকার মৃতঃ ইমান আলী শেখের পুত্র।

পুলিশ  জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এনায়েত হোসেন ছোটন  প্রাইমারী স্কুলের তৃতীয় শ্রেণি পড়ূয়া শিশু শিক্ষার্থী (৯) কে পরিত্যাক্ত মুরগী ফার্ম থেকে নেট আনতে বলে। এ সময় শিশুটি ফার্মের মধ্যে ঢুকলে ছোটন তাকে ধর্ষণের  চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে এলাকাবাসি তাকে উদ্ধার করে। শিশুটির পিতা অসহায় ও ছোটনের বাড়ির দিনমজুর হওয়ায় প্রভাবশালীরা মিমাংশার কথা বলে মামলা করতে দেয়নি। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার রাতে শিশু শিক্ষার্থীর পিতা  বাদি হয়ে এনায়েত হোসেন ছোটনকে আসামী করে থানায় মামলা (নং-১৩, তারিখ-২২/০৯/২২ইং) করেন। ওসি মোঃ ইলিয়াস তালুকদার শিশু ধর্ষণ চেষ্টার কথা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরেই আসামী ছোটনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

স্থানীয়রা ফুলতলা থানার ওসিকে ইলিয়াস হোসেন তালুকদারকে দ্রতু ছোটনকে গ্রেফতার করার জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।